স্বগতোক্তিতে স্বাগতম! ব্লগটি মূলত ওপেন সোর্স, বইপত্র আর অন্যান্য বিষয় নিয়ে। কোনো মতামত থাকলে কমেন্ট কিংবা ই-মেইল করতে ভুলবেন না।

জিফি আদ্রে ও ড্রাগন


দৃশ্যের শুরুতেই একটা খড়খড়ে গাঢ় কালো ঠোঁটে ফোকাস করা হবে। কাট। তারপর আবার সিগারেটের আগুনে ফোকাস করা হবে। কাট। লোকটার ঠোঁট আর সিগারেট একসাথে ফোকাস করা হবে। কাট। কালো চামড়ার ব্লেজার পড়া একটা বাহু সিগারেটটা নামিয়ে আনছে এই দৃশ্যটা, দৃশ্যের শুরুতেই একটা আঙুলে সিগারেটঅলা হাত দেখা যাবে। সংক্ষিপ্ত দুই/একটা টান দিয়ে সিগারেটটা ফেলে দেয়া হলো। ফেলে দেয়ার মুহূর্তটি নিচ থেকে ধারণ করা হবে। সিগারেটটাকে ব্যাকগ্রাউন্ডে রেখে মাটি থেকে লোকটা দূরে চলে যাচ্ছে, লোকটাকে পেছন থেকে ধারণ করা হবে। শু পরা একটা পা দেখা যাবে। উপর থেকে শট।

দ্বিতীয় লোকটার সামনে থেকে দেখা যাবে লোকটা একটা পিস্তল তুলছে। তারপর লোকটার পেছনে কাধ থেকে একটা শট। লোকটা ট্রিগার টানলো। প্রথম লোকটির শরীরে দুইটি গুলি। লোকটা পড়ে গেলো। উপর থেকে লোকটার মৃতদেহ দেখানো হবে। ক্রমেই উপরে উঠে দূরে সরে যেতে থাকবে ক্যামেরা।

    *** ঘিয়ে কালার ডেস্কে একটা লোক একহাতে আঙুল নাচাচ্ছে। সে বলে-

-তাহলে বলছেন খুনী লোকটার শু’র ছাপ মার্কেটের কোন জুতোর ছাপের সাথেই মেলে না?

-হুম। লোকটা সম্ভবত বিদেশ থেকে কিনেছিল জুতোজোড়া। আর এই জুতো মোটেও হাতে বানানো দেশী কিছু নয়, কারণ জুতোর তলার ছাপে একটা ড্রাগন এমনভাবে আঁকা অবস্থায় পাওয়া গেছে, যা সাধারণ কারো বানানো সম্ভব না। কোন নিখুঁত শিল্পীর কাজ।

-আমার সন্দেহ, লোকটা এটা নিজেই বানিয়েছে। সে বেশ চৌকস শিল্পী।

-আমি তা মানিনা। বেসিকস অফ হিউম্যান অনুসারে (একটি সর্বজনসম্মত গবেষণা) শিল্পীরা খুন করার মতো মনোবল রাখে না। আমার যুক্তি হলো, লোকটা নিজে অথবা, তার নিয়োগদাতা এই জুতো খুন করার জন্য বিশেষভাবে বানিয়েছে।

-শুধুমাত্র খুন করার জন্য একজোড়া জুতো ! তার মানে যে লোকটি খুন হয়েছে সে গুরুত্বপূর্ণ একজন ব্যক্তি এবং তার খুনের পেছনের ক্লু লুকানোর সব ধরনের চেষ্টা খুনিকে দিয়ে করানো হয়েছে।

-হু।

-কিন্তু, আমি তো দেখলাম -বাংলাদেশী মা ও রাশিয়ান বাবার ছেলে আদ্রে খুব সাধারন একজন লোক। গত দশ বছর সে একবারও স্পেসে যাওয়ার আবেদনও করেনি। অথচ, তার একাউন্টে যথেষ্ট কারেন্সি রয়েছে। (মনে করা হয় যে, টাকা থাকা সত্ত্বেও যারা স্পেসে ঘুরতে যায়না তারা বেশ আত্মনিয়ন্ত্রণ-সম্পন্ন মানুষ। সভ্য সমাজে যদিও তাদের নিয়ে নানান জোকস করা হয়, কিপ্টে বলে)

-তবে তার এআই গার্লফ্রেন্ডের খবর নিয়ে কি জানলে?

-তার এআই গার্লফ্রেন্ডটি অটোড্রিভেন পারমিশন নিয়ে নিয়েছিল তার মৃত্যুর মাস ছয়েক আগে। -তাহলে তো এটা একটা গতানুগতিক মেশিন-হিউম্যান কেস। নিশ্চয়ই এআই-টি অন্য কোন পুরুষ বা তার মতো একটা এআইয়ের প্রতিই আসক্ত হয়ে পড়ে ও তার মালিককে সুযোগ বুঝে খুন করায়।

-আমারো তাই মনে হচ্ছে।     *** -একটা চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে।

-কি?

-আদ্রের এআই গার্লফ্রেন্ডটির কোরে এলএইচ কোডটি পাওয়া গেছে।

-ওইটা আবার কি জিনিস?

-আরে ওইযে বছরের শুরুতে এআই গঠিত অপরাধ কমানোর জন্য মুমূর্ষ ব্যক্তিদের কাছ থেকে মৃত্যুর আগমুহূর্তে এআইয়ের কোরে যে কোড আপলোডের ব্যবস্থা করা হয়। যেখানে মালিক বলে দেন, আমার মৃত্যুর পেছনে আমার পোষ্য এআই-টি দায়ী না। আর এই কোডটি কোন মানুষের বায়োস্টোরেজ থেকেই আপলোড করা সম্ভব। যা রিরাইটেবল নয়, প্রতিটা মানুষের বায়োস্টোরেজের সিগনেচার ভিন্ন। সুতরাং জিফি এই অপরাধটি করে নি। তার কোর বিশ্লেষণ করে আদ্রের নিঁখুত সিগনেচার পাওয়া গেছে। (এ এমন এক যুগ যেখানে মানুষের শরীরের বিশেষ একটা অংশকে ইলেকট্রনিক্সের স্টোরেজের মত ব্যবহার করা যায় ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক গ্যাজেটের সাথেও এই স্টোরেজ থেকে ডেটা আদানপ্রদান করা যায়। ব্যক্তি যদি চায়, তবে সে বায়োস্টোরেজের লিখিত ডেটা Un-rewritable করে দিতে পারে। ইলেকট্রনিক ডিভাইস গলিয়ে না ফেললে এটা ধ্বংস করা সম্ভব না। বায়োস্টোরেজের ডিজাইনার জন জে এই ডিজাইনের সম্পূর্ণ কোডটিই লুকিয়ে ফেলেছিলেন, যাতে কোন সরকার বা দুষ্কৃতিকারীরা এটার রাইট/রিড পারমিশন পরিবর্তন না করতে পারে। এটা বাইপাস করা (পাশ কাটানো) প্রায় অসম্ভব- এরকমই মনে করা হয়। কারণ এই স্টোরেজে একবার ভুল পাসওয়ার্ড ইনসার্ট করলেই তা লক হয়ে যায় ও শরীরের অন্য একটা অংশে বায়োস্টোরেজ বসাতে হয়। সবকিছু এখন বাইনারি থেকে কোয়ান্টাম ভিত্তিক করতে প্রস্তুতি নিচ্ছে মানুষেরা। তবুও এই ক্লাসিক প্রযুক্তিটি তার কাজ করে যাচ্ছে। )

-জিফি মানে এআইটা তাহলে নিশ্চিতভাবেই এই অপরাধটা করেনি।

-না।

-তবে আদ্রে মৃত্যুর আগে যাদের সাথে যোগাযোগ করেছিল, তার ইলেকট্রনিক ডেটা সব সংগ্রহ করো।

    *** -প্রথম নামটি পি, নরেন্দ্রনারায়ণের।

-সে তো স্পেসে গোপনে মানুষকে চোরাই ট্রাভেল করানোতে অভিযুক্ত। গ্রেট বির কাছে তার সব ডেটা দেয়া হয়েছে। এ্যানালাইসিস করে গ্রেট বি রায় দেবে। নরেন্দ্রর সাথে আদ্রেও এই অপরাধে যুক্ত থাকতে পারে। ধরা যাক, কারেন্সি ভাগাভাগি নিয়ে তাদের দ্বন্দ্ব ও এর ফলে আদ্রে খুন হলো। ( গ্রেট বি একজন এআই জজ। দোষী ব্যক্তির সব ডেটা তাকে আপলোড করা হলে, সে বিশ্লেষণ করে রায় জানায়। আশ্চর্যজনকভাবে গ্রেট বি এমন সব পয়েন্ট প্রদর্শন করে যা প্রতিপক্ষের উকিলদেরও মাথা নিচু করে দেয়। হিউম্যান জাজরা যদিও তার রায় অনুমোদন করলে তারপর কার্যকর হয়, তবুও গ্রেট বি-কে তারা গুরু মানে। সবাই নিশ্চিত, একসময় গ্রেট বির রায়কে আর অনুমোদনের প্রয়োজন পড়বে না। )

-তাহলে তো এটা একটা জটিল কেস। রায়ের আগে কোন বিচারপ্রার্থী বা আসামী কারোরই পরিচয় প্রকাশ করা অপরাধ। এর জন্য কি আমাদের ইনভেস্টিগেশন থেমে থাকবে?

-সেটাই কথা। ইনভেস্টিগেশন থেমে থাকলে অপরাধীরা ক্লু লুপ্ত করার সব সুযোগ পেয়ে যাবে। (সরকারী কিছু কর্মকর্তা বাদে কারো কাছে চলমান বিচারের খবর প্রকাশ করা যেহেতু নিষেধ)

-এই কেসটি কোনদিকে মোড় নিচ্ছে আমি জানি না। এই দেখো, আদ্রের যোগাযোগের লগ। সে জিফি ঘরের বাইরে কোথাও গেলে জিফির সাথে যোগাযোগ করতো এবং এছাড়া শুধুই নরেন্দ্রনারায়ণকে নক করতো। একদিন, দুইদিন কখনো পাঁচদিন পরপর। এবং নরেন্দ্রনারায়ণের রায় এক ঘন্টা পরেই গ্রেট বি দিবে বলে আমার কাছে নোটিফাই করলো।

-আমি ঘুমিয়ে ছিলাম, তাই মাত্রই জানলাম। (কথা চলা মাত্রই ‘ইউর ম্যাসেজ’ বলে একটা নারীকন্ঠের নোটিফিকেশন আসলো গোয়েন্দাটির কাছে। তার মুখ দেখলে যে কেউ বুঝবে, সে মর্মাহত। পলক পড়ছে না চোখে তার।)

-জজরা রায় অনুমোদন করেছেন। নরেন্দ্রনারায়ণ নির্দোষ। আমাদের এই আশাটিও নিভে গেলো।

-তাহলে সেই গতবারের কেসটার মতই করা যাক। চল, আদ্রের ফ্ল্যাট ঘুরে আসা যাক। গত কেসটায় ভিক্টিমের লিভিং রুম ঘুরতে গিয়ে আমাদের কেসটার সমাধান হয়ে গিয়েছিল। (প্রথমজনের কাঁধে চাপড় দিয়ে দ্বিতীয় গোয়েন্দাটি বললো-)

-চলো তাহলে।

    *** একশোবছর আগের ঝাড়বাতি তে ভর্তি ঘরটা। আর হাস্যকর সব কাঠের ফার্নিচার, গাঢ় সব রঙ। সেগুন হয়তো। কেয়ারটেকার ওদের আদ্রের পড়ার ঘরে নিয়ে এলো। যদিও এই যুগে পড়ার ঘর বলতে কিছু নেই। এক বায়োস্টোরেজে যে পরিমাণ তথ্য এঁটে যায়, তা গতানুগতিক ৫০০ পাতার কোটিখানেক বইয়ের সমান। আদ্রে ভালো সংগ্রাহক ছিলেন বোঝাই যায়। পড়ার ঘরের পাশের একটা পার্টিশনে নিরাপদ সংকর ধরনের একটা লেসারের আড়ালে গোটাদশেক চামড়াবাঁধানো খাতা। কেয়ারটেকারের অনুমতি নিয়ে প্রথম গোয়েন্দা একটা একটা করে সব ডায়েরী পড়তে লাগলো। দুই গোয়েন্দা কার্পেটের উপর বসে সবগুলো ডায়েরী ঘাটছে। একটা লাল হয়ে যাওয়া পাতার ডায়েরী দেখে তারা ভুরু বাঁকালো। লেখা-   ২০.১২.২০৮০ জিফিকে আনলাম। আশা করি সে আমায় হারানো ডোরার স্মৃতি ভোলাতে পারবে। অনেক চুমু তোমাকে ডোরা। আজ থেকে তোমাকে জিফি বলে ডাকবো। নামটাই পাল্টালো শুধু। ভালোবাসা নয়। (এআইগুলোকে অনেক আবেগপ্রবণ মানুষ তাদের হারানো প্রিয় মানুষদের মত করে ডিজাইন করতেন। এবং অবিকল প্রিয় মানুষকেই খুঁজে পেতেন। যেহেতু এআইগুলো অনুকরণে সিদ্ধহস্ত।)

দুই গোয়েন্দাই বুঝলো, আসল জিনিস তারা পেয়ে গেছে। সবটুকু ডায়েরী পড়ার গাধার খাঁটুনি না খেটে তারা শেষ থেকে পড়তে লাগলো। যেদিন থেকে জিফিকে অটোড্রিভেন পারমিশন দেয়া হয়েছিল, সেদিনের লেখা-   “ আজ জিফিসোনা আমাকে সকালে উঠেই অদ্ভুত ভঙ্গিতে চুমু দিল। প্রথম ঠোঁটের বাম থেকে ডান পাশে সে কুট কুট করে কামড় দিলো তারপর নাক দিয়ে নাকে ঘষা দিলো। বারবার করলো। কতবার? জানি না। আমি একটু বেশিই আবেগতাড়িত হয়ে পড়েছিলাম। কারণ, মা আমাকে নাকে নাক ঘষা দিয়ে আদর করতেন, এত বড় হওয়ার পরও। কেমন লাগছিল যে ! তারপর আশ্চর্যজনকভাবে সে অটোড্রিভেন পারমিশন চাইলো।” (অর্থ্যাৎ, এআইটি এবার নিজ ইচ্ছায় চলতে চায়। বাইরে যেতে চায়। মালিকের নির্দেশ চাইলে সে মানতে পারে, নাও পারে। প্রায়সময়ই অটোড্রিভেন এআইগুলো বিদ্রোহ করে না। মালিকের অনুগতই থাকে। তবুও শতে দু-একটা বিদ্রোহের ঘটনা ঘটে। এআই ম্যানুয়েলে লেখাই থাকে যে, অটোড্রিভেন মুডে নিয়ে যাওয়া মানেই আপনি আপনার এআইকে বিদ্রোহ করার সুযোগ দিচ্ছেন। নিশ্চিত তো আপনি এটা করবেন? তবুও অনেক মালিক অটোড্রিভেনই পছন্দ করেন। তাদের মতে, এতে তারা হিউম্যান সঙ্গীর সাথে জীবন কাটানোতে যে অনিশ্চয়তার রোমাঞ্চ পেতেন এখানেও সেটা পেয়ে থাকেন।)   আদ্রের আরো সপ্তাহখানিক পর লেখা ডায়েরি- “জিফি যেন কেমন আমার প্রতি বন্য হয়ে উঠছে। আমাকে বাইরে থেকে ফিরে এমনভাবে জড়িয়ে ধরে যে, মনে হয় আমার পাজরগুলো মুচড়ে যাবে। সবসময়ই শিশুদের মত সাথে সাথে থাকতে চায়। আমি কোথাও উঠে যেতে চাইলে ওকে রেখে যেতে পারি না। আমার কেমন ভয় হয়, বেসিকস অফ হিউম্যানে লেখা আছে- কোন মানুষ যখন তার সঙ্গীর সাথে বিট্রে করে, সে তখন সঙ্গীকে নানান কৃত্রিম আচরণ করে নিশ্চিত করতে চায় তার ব্যাপারে। জিফি যদিও এআই, মানুষ না। সম্ভবত, ওই গবেষণার নিয়ম ওর উপর খাটবে না। আমি চাই না আমার চিন্তা সত্য হোক”   তারপর আবার সেদিনেরই লেখা- “আমার আশঙ্কা সত্যি। জিফি আমায় বলেছে, সে রৌগ নামের এক ইউরোপিয়ানের সাথে চলে যাচ্ছে। হ্যান্ডগানের নল ঠেকিয়ে সে কথাগুলো বলছিলো আর হুমকি দিচ্ছিল- তাকে ডিএক্টিভ করতে চাইলেই সে পুরনো কিন্তু কার্যকরী পিস্তলটা থেকে গুলি ছুড়বে। আমার কাছ থেকে সে এলএইচ কোড নিয়ে তার কোরে আপলোড করলো। তারপর সে আমায় গুলি করার প্রস্তুতি নিলো। আমি শেষমুহূর্তে তাকে বোঝাতে সক্ষম হলাম, আমি তাকে ভালোবাসতাম ও সে অর্থহীন কোন যৌনযন্ত্র ছিলনা। আমি তাকে ফ্ল্যাট ত্যাগ করতে দিচ্ছি ও কখনো তার ঘটনা কারো সাথে শেয়ার করবো না। সম্ভবত, তখন তার ডোরার কথাও মনে পড়লো, ডোরাকেও আমি নির্দ্বিধায় যেতে দিয়েছিলাম।”   আদ্রে পরেরদিনই নোট রাখলো- “সব বন্দোবস্ত রেডি। ডোরার চলে যাওয়ার পর যে ওল্ড স্টাইল গানম্যানকে ভাড়া করেছিলাম তাকেই আবার খুঁজে পেলাম। আমি আত্মহত্যা করতে চেয়েও সেবার করিনি, জানিনা কেন। যদিও শেষমেশ গানম্যান রেডি করেছিলাম, খুন হওয়ার জন্য। তাও বাতিল করি এআইয়ের কাছে একবার শেষ ভাগ্য পরীক্ষার জন্যে। কিন্তু এখন সময় এসেছে। সংগ্রহশালার রাসায়নিক দেয়া পাপার সেই জুতোজোড়া আবার বের করেছি। গানম্যান এগুলো পড়েই আমায় খুন করবে। জুতোর তলায় পাপার নিখুঁত হাতের ড্রাগন আঁকা। গোয়েন্দাগুলো নিশ্চয়ই নাকানিচুবানি খাবে। আমি মরে গেলেও ওদের শান্তিতে রেখে যেতে চাই না।”

-কিন্তু ও যদি আমাদের শান্তিতে রাখতে দিতে নাই-ই চায়, তবে তার এই প্ল্যান ডায়েরীতে লিখলো কেন?

-আমার অনুমান, বেসিকস অব হিউম্যান অনুযায়ী, “উত্তেজনা মানুষদের প্রাত্যহিক চিন্তাকে স্বাভাবিক পথ থেকে সরিয়ে দেয়” এই ছোট ব্যাপারটাই। -আহারে বেচারা !

(শেষ)          

এই লেখাটি Creative Commons এর CC BY-NC-ND 4.0 CCBY4 এর অধীন। আপনি লেখাটি অবিকল সংস্করণে শর্তসাপেক্ষে প্রকাশ করতে পারেন, তবে বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহার বা প্রকাশ করতে পারেন না। বাণিজ্যিক ব্যবহারের জন্য লেখকের অনুমতি নিন। প্রাথমিক শর্ত: আপনাকে অবশ্যই লেখাটি লেখকের নাম সহ প্রকাশ করতে হবে। লেখাটি যেনো কোনোভাবে পরিবর্তিত বা বিকৃত না হয় লক্ষ্য রাখতে হবে। বিস্তারিত দেখুন এখানে