স্বগতোক্তিতে স্বাগতম! ব্লগটি মূলত ওপেন সোর্স, বইপত্র আর অন্যান্য বিষয় নিয়ে। কোনো মতামত থাকলে কমেন্ট কিংবা ই-মেইল করতে ভুলবেন না।

স্ব১৪ বা, দিনপঞ্জী (পর্ব এক)

সব ফাঁকা হয়ে যাওয়ার আগে তপ্ত মাঠটি কারো ঠোঁটের মতো মেলে ধরছিলো নিজেকে একপাক আধোবৃত্ত ক্লৈব্যঝিম একহাতে নিজের মৃগী সারানোর ঔষধ একহাতে নিজের হন্তারক মনের বাজভঙ্গি হলুদ হলুদ জিমেরিন ***      

চন্দ্র যখন উঁকি দিলো বালুকাবেলায় এই নামটি, এই রাতের হাইড্রা, দ্রাক্ষাদের মন বোঝা পানপাত্রে বিষ ঢালবার মতো; গাত্র হতে ধূসর নিমরাজি চাঁদর খুলে ফেলে নিজের মানুষ হাত ঘুরিয়ে রাখে কাঁধে আর তুমি সাহেব তুমি ভাবো, ঘরনী তোমার একান্তই মানুষ প্রকৃতই তর্জমার পর বেশ খোলে ততদিন বরং কেতাবের পাশে ঘুমাও ***      

কেন তোমার হাতকড়া তূরীয় হয়ে যাচ্ছে একটা মশালের আলোই যখন দিগাঙ্গনা বা গোলাপের ব্রহ্ম দিকগুলোই কেন প্রিয় হয়ে যাচ্ছে, দোস্ত, শাগরীদ সবার উন্মুক্ত মুঠোয় একচুল সুগন্ধী আশা গুঁজে দিতে.. তুমি তাই জানাও বলে যাও এবার ***      

নগ্নদেব আমার পরশ বুঝে ভীষণ ! নগ্ন, উত্থিত দেব আমার প্যাগান সকালগুলা তারে আমি পায়ে পায়ে পূজা দেই নগ্ন দেব আমার ***      

ঘুরতে থাকুক অসংখ্য বিয়ারিং বল যা মাথার নিঁচু উপত্যকায় নিজের কাজে ত্রিভুজ হয়ে আছে, বা দৈর্ঘ্য মানে না মন মালা পড়া অধিকারিক কেউ পাতার মতো মাখে জল হাতে হাতে, স্বরসংক্রান্ত কিছু গাঁইগুঁই শেষে কেউ লম্বা হয়ে গাছের গুড়ি হয় কেউবা ঈর্ষাকে লোমের ন্যায় বুকে তুলে রাখে। বেশভূষায় ***

(দুই পর্বে সমাপ্য)          

এই লেখাটি Creative Commons এর CC BY-NC-ND 4.0 CCBY4 এর অধীন। আপনি লেখাটি অবিকল সংস্করণে শর্তসাপেক্ষে প্রকাশ করতে পারেন, তবে বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহার বা প্রকাশ করতে পারেন না। বাণিজ্যিক ব্যবহারের জন্য লেখকের অনুমতি নিন। প্রাথমিক শর্ত: আপনাকে অবশ্যই লেখাটি লেখকের নাম সহ প্রকাশ করতে হবে। লেখাটি যেনো কোনোভাবে পরিবর্তিত বা বিকৃত না হয় লক্ষ্য রাখতে হবে। বিস্তারিত দেখুন এখানে