স্বগতোক্তিতে স্বাগতম! ব্লগটি মূলত ওপেন সোর্স, বইপত্র আর অন্যান্য বিষয় নিয়ে। কোনো মতামত থাকলে কমেন্ট কিংবা ই-মেইল করতে ভুলবেন না।

স্ব১৪ বা, দিনপঞ্জী (শেষ পর্ব)


বিগত দিনও যার সংসর্গ ছিলো না রাত্রির আবাহনী বিহারেও যার মুখ কালো ছিলো বৃশ্চিকমুহূর্তে বোধহয় বনবিধুর মালা পড়া ছিলো রাজার গলে আর তার রাণী ছিলো রাজ্যপাটে যদিও তার প্রাণ বন্দী ছিলো দৈত্যের কবজে পুজো বা, বলি সমস্তই করা হলেও কেউ রাজি ছিলো না.. ***      

যদিও একান্তে হেঁটে যাবো বলে বড় বেশি আঁতাত ছিলো ধান, মদ্য আর অহংকারে মরে যাওয়া ছেলেপেলেদের পরিধেয় বুড়ি মা যত্নে শুকায়। শুধু শুকায় না অনন্তের হ্যান্ডঘড়ির চাকা, যা একটি ঘাসের রোদবিন্দুর মৃত্যুতে জন্মেছিলো একই পথ, পাথর বিন্যাস খুঁড়ে গেঁজে গেছে মান্ধাতার মানুষের ফলা মুঠি খুলো, কি যে ঝরে কি যে ঝরে অস্ফুট ! ***      

আমিও আছি এক ডুবন্ত ফেনা সমুদ্র ভরো ভরো ঈর্ষারূপী কাঁচ লেজের মহিমা দীর্ঘ, পুরনো গাছ চুলে আঙুল ঢুকিয়ে দাঁড়ায় এবার তারও দাঁড়িয়ে থাকার সময়। পৃথিবীর কাছে তার কিছু বলবার নেই, নিদারুণ মিষ্টিবচন সে হারিয়ে নেয় সৃজনসোনা, গৃহার্ত মেয়েমানুষের বয়াম বয়াম রাখা চুমুর লালা রাত্রির কাঁধে রাত্রির ক্ষুদ্র ঝাণ্ডাটি ‌ ***      

শব্দশলাকাপাখাময় রাত্রির গর্জন-তেরাত্রির তীরে শঙ্কিত কুহুরবের প্রান্তদেশ বেয়ে নেমে আসে ধরায়-টিউডর রাজবংশের শেষ রাজা যেন, তার সম্রাজ্ঞীর হাতের শেষ টিপয়টি নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন ব্যস্ত হীন মুমূর্ষতায়-ক্লিন্ন সময় আর ডাকটিকেটের বুনন, অজস্র হারে বিমূর্ত হয়ে আসে-রক্ত গড়িয়ে পড়ে থান কাপড়ের এরোমায়-নিশাচর এসে রাত্রির ট্রেন ধরে-অসংখ্য মানুষ উবু হয়ে বসা, ট্রেন লেট-বেটার দ্যান লেট- ***      

এখান থেকে হারিয়ে গেলে, চক্রাকার মহা অতলান্তিক থৈ সমুদ্দুর পুষ্পঘ্রাণের শ্যামলিমা কিংবা হারিয়ে না গিয়ে ছড়িয়ে যেতে যেতে শব্দ শব্দের সুতো পাকানো ক্ষণগুলি ***          

এই লেখাটি Creative Commons এর CC BY-NC-ND 4.0 CCBY4 এর অধীন। আপনি লেখাটি অবিকল সংস্করণে শর্তসাপেক্ষে প্রকাশ করতে পারেন, তবে বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহার বা প্রকাশ করতে পারেন না। বাণিজ্যিক ব্যবহারের জন্য লেখকের অনুমতি নিন। প্রাথমিক শর্ত: আপনাকে অবশ্যই লেখাটি লেখকের নাম সহ প্রকাশ করতে হবে। লেখাটি যেনো কোনোভাবে পরিবর্তিত বা বিকৃত না হয় লক্ষ্য রাখতে হবে। বিস্তারিত দেখুন এখানে